পূণরায় ১২ নং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী খসরুল আলম মাহমুদ

বিএনপিকে নতুন আঙ্গিকে তৃনমুল থেকে নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাবেক মেয়র শাহাব উদ্দিন সাবুর নির্দেশনায় প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচনের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত করার কর্যক্রমে ১২ নং ওয়ার্ড ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খসরুল আলম মাহমুদ ভাই অক্লান্ত পরিশ্রম করে আসছেন।
ওয়ার্ড থেকে নেতা নির্বাচন করে ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ওয়ার্ড নেতাদের ভোটের মাধ্যমে ইউনিয়নের নেতা নির্বাচিত হবেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে একান্তে কথা বলার সময় ১২ নং চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী খসরুল আলম মাহমুদ বলেন, তিনি জনপ্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাবেন। নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল চরশাহী ইউনিয়ন গড়তে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে চান।

তিনি বলেন,“চরশাহী ইউনিয়নের কাউন্সিলর বৃন্দ যদি আমাকে সুযাগ দেয়, তবে আমি তাদের সেবা করতে চাই। চরশাহী ইউনিয়নের মানুষ হিসাবে আমি স্বপ্ন দেখি একটি সুন্দর সুশৃংখল চরশাহী ইউনিয়ন গড়ে তোলার। সেই লক্ষেই কাজ করতে চাই।”

“আমরা দীর্ঘদিন চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসের হাতে জিম্মি ছিলাম। এদের হাত থেকে চরশাহী ইউনিয়নবাসীকে মুক্ত করতে চাই। আমি কোনোদিন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেইনি। আমি প্রতিহিংসা নয়, ভালোবাসা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে চাই।”

আমি একজন সমাকর্মী সমাজের মানুষের সেবা করা আমার নেশা। বছরজুড়ে আমি গোপনে এবং প্রকাশ্যে নিরীহ হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। আগামীতেও পাশে থাকবো।”

তিনি বলেন, “আমার কোনো সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজ বাহিনী নাই। রাজনীতিতে আলোচনা, সমালোচনা এবং মত-দ্বিমত থাকবেই। এসব না থাকলে মানুষ কখনো শোধরাতে পারে না। আমি সমালোচকদের সাধুবাদ জানাই, তারা যেন আমাকে সঠিক পথে চলতে সহযোগিতা করেন।”
১২ নং চরশাহী ইউনিয়ন বি.এন.পির সংগ্রামী সভাপতি খসরুল আলম মাহমুদ এর ১২ নং চরশাহী ইউনিয়নের রাজনৈতিক জীবনির নিম্নরূপঃ
০১। ১৯৯১ সাল ১২ নং চরশাহী ইউনিয়নে বিএনপির রাজনীতি শুরু করে।
০২। ১৯৯২ সাল হইতে চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এর দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন।
০৩। ১৯৯৩ সালে ইউনিয়ন বিএনপির তৃণমূল সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী হয় নির্বাচনের মাধ্যমে মাত্র এক ভোটের ব্যাবধান সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন এবং সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। (সম্মেলনের স্থান ছিল রূপাচরা সফিউল্যা উচ্চ বিদ্যালয়)
০৪। ১৯৯৬ সাল ২০ই ফেব্রয়ারী হইতে ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ও জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে পরবর্তী সময়ে ইউনিয়নে নেতৃত্ব প্রদান এবং নির্বাচন পরিচালনা করেন।
০৫। ১৯৯৭ সালে ২২শে ফেব্রয়ারী হইতে ২০০২ পর্যন্ত সফলতার সাথে চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন
০৬। ২০০২ সালে ২০০৩ সাল পর্যন্ত সফলতার সাথে চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহায়ক এর দায়িত্ব পালন করেন।
০৭। ২০০৩ সাল হইতে সিঃ সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
০৮। ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসহ ইতে অত্র ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন (২০০৯ সালপর্যন্ত)
০৯। ২০০৯ সাল হইতে ইউনিয়ন বিএনপির আহায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
১০। এর পর থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত সফলতার সাথে ১২ নং চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
গত ১৭ বছর সকল আন্দোলন সংগ্রামে তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে থেকে ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে বিএনপিকে নতুন আঙ্গিকে তৃনমুল থেকে নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ভাই ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাবেক মেয়র শাহাব উদ্দিন সাবু ভাইয়ের নির্দেশনায় প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচনের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত করার কর্যক্রমে ১২ নং ওয়ার্ড ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খসরুল আলম মাহমুদ অক্লান্ত পরিশ্রম করে আসছেন।
ওয়ার্ড থেকে নেতা নির্বাচন করে ইউনিয়নের নেতৃত্ব তৈরির জন্য ওয়ার্ড নেতাদের ভোটের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে ইউনিয়ন নেতা নির্বাচিত হবেন।
তাই পুনরায় ১২ নং চারশাহী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী জননন্দিত নেতা সাবেক সভাপতি খসরুল আলম মাহমুদ আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী।

উল্লেখ্য দীর্ঘ ২২ বছর পর ১২ নং চরশাহী ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৫ জুন ২০২৫ বুধবার।

শেয়ার এবং ফলো করুন: