লক্ষ্মীপুর থেকে আল মামুন শিপন: লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা’র অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ডিবি শাহাদাত হোসেন টিটু,একজন সৎ, কর্মঠ, নিরহংকারী, দক্ষ ও মানবিক পুলিশ অফিসার হিসেবে ইতোমধ্যে যিনি লক্ষ্মীপুর জেলার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। নাগরিক সেবা, আর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন তিনি। বদলে দিয়েছেন ক্রাইমজোন খ্যাত দেশের বহুল আলোচিত জনপথ লক্ষ্মীপুরের চালচিত্র, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাদাঁবাজিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধ দমনেও নজির সৃষ্টি করেছেন। মাদক নির্মূল, অস্ত্র উদ্ধার, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটনেও প্রশংসিত হয়েছেন তিনি।
লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি জেলাবাসীর মুখে মুখে শাহাদাত হোসেন টিটুর কর্মগুনের প্রশংসা করে শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে পেশাজীবি অগনিত লক্ষ্মীপুর জেলার জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে পেরেছে।
পুলিশ জনগণের বন্ধু, জনগণের পুলিশ কথাটি এখন সার্বিকভাবে পাঁকাপোক্ত। পুলিশ এখন অনেক জনবান্ধব। (তবে অন্যান্য পেশাজীবীদের মত পুলিশ বাহিনীতেও কিছু খারাপ,দূর্নীতিবাজ ও অযোগ্য পুলিশ আছে, তাঁদের সংখ্যা দিনদিন কমে যাচ্ছে)। লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা অফিসার ইনচার্জ, শাহাদাত হোসেন টিটুর মতো এমন নিরহংকার, সাদাসিধা, সদালাপী মিষ্টভাষী,মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ অফিসার খুব কমই দেখা যায়।
পুলিশী সেবা ও ওসি ডিবি শাহাদাত হোসেন টিটুর মানবিক দায়িত্বের বিষয়টি লক্ষ্মীপুর জেলাবাসীকে গর্বিত করেছে। সাবাশ বাংলাদেশ পুলিশ।
একসময় পুলিশকে ব্যাবহার করে জনগণের বিরুদ্ধে নিয়ে গেছে পতিত ফ্যাসিষ্ট স্বৈরাচার সরকার পুলিশকে জনগণের শত্রু বানিয়ে রেখেছে বর্তমান সময়ে শাহাদাত হোসেন টিটুর মতো অসংখ্য আর্দশিক পুলিশ অফিসারদের কারণে পুলিশ জনগণের প্রকৃত বন্ধু প্রকৃত সেবক জনগণ পুলিশকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করেছে।
লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি’র ওসি শাহাদাত হোসেন টিটু জানান, তিনি নিজে ঘুষ নেননা। পুলিশের কেউ ঘুষ গ্রহণ করলে তাকেও ছাড় দেননা। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আকতার হোসেন মহোদয় আমাদের অভিভাবক স্যারের দিক নির্দেশনায় আমরা লক্ষ্মীপুর জেলাবাসীকে নিরলসভাবে আইনী সেবা প্রদান করছি, তিনি সার্বাক্ষনিক সজাগ দৃষ্টি রাখেন। জেলার সবকটি সার্কেল অফিস,থানা, ফাঁড়িসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে দিক নির্দেশ দিয়ে রেখেছেন যেকোন গুরুতর ও জটিল বা সন্দেহজনক পরিস্থিতির আভাস পাওয়া গেলে দিবারাত্রী যে কোন সময় তাৎখনিক এসপিকে মহোদয়কে জানাতে হবে। আমরা লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা সার্বক্ষনিক প্রস্তুত ও সতর্ক থাকি। আমরা সত্যিই গর্বিত যে সৎ পথে থেকে মানুষের আইনী প্রদানের দায়িত্ব পালন করতে পারছি।
