কবির আহমদ ফারুক লক্ষ্মীপুর:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে তুলে নিয়ে এক তরুণীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ ও মারধরের ঘটনায় চারজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে লিটনকে গ্রেপ্তার করেছে,বাকি তিনজন পলাতক।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে,গত শুক্রবার বিকেলে শহরের কাঁচাবাজারে কেনাকাটা করছিলেন ওই তরুণী। এসময় ইউসুফ হোসেনসহ তিনজন কৌশলে তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেয়। সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় চন্দ্রগঞ্জের দেওপাড়া এলাকার লিটনের বাড়িতে। সেখানে আগে থেকেই লিটন অপেক্ষা করছিলেন। রাতভর চারজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন চালায়। পরে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
শনিবার সকালে সুযোগ বুঝে তরুণী ঘর থেকে বের হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় গিয়ে পুলিশকে সব জানায়। রাতেই পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে লিটনকে আটক করে। রোববার সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে লিটন, ইউসুফ হোসেন, পারভেজ হোসেন ও রাজন হোসেন রাজাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবদুল মোন্নাফ বলেন, “প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। নির্যাতিত নারীকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে চিকিৎসা ও প্রমাণ সংগ্রহের জন্য।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, লিটন ও তার সহযোগীরা এলাকায় নানা অপরাধে জড়িত থাকলেও প্রভাব খাটিয়ে অনেক সময় আইনের হাত থেকে বাঁচতে সক্ষম হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি,এই ঘটনায় জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক,যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন নৃশংসতার সাহস না পায়।
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে তুলে নিয়ে এক তরুণীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ ও মারধরের ঘটনায় চারজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে লিটনকে গ্রেপ্তার করেছে,বাকি তিনজন পলাতক।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে,গত শুক্রবার বিকেলে শহরের কাঁচাবাজারে কেনাকাটা করছিলেন ওই তরুণী। এসময় ইউসুফ হোসেনসহ তিনজন কৌশলে তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেয়। সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় চন্দ্রগঞ্জের দেওপাড়া এলাকার লিটনের বাড়িতে। সেখানে আগে থেকেই লিটন অপেক্ষা করছিলেন। রাতভর চারজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন চালায়। পরে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
শনিবার সকালে সুযোগ বুঝে তরুণী ঘর থেকে বের হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় গিয়ে পুলিশকে সব জানায়। রাতেই পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে লিটনকে আটক করে। রোববার সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে লিটন, ইউসুফ হোসেন, পারভেজ হোসেন ও রাজন হোসেন রাজাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবদুল মোন্নাফ বলেন,“প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।নির্যাতিত নারীকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে চিকিৎসা ও প্রমাণ সংগ্রহের জন্য।”
স্থানীয়দের অভিযোগ,লিটন ও তার সহযোগীরা এলাকায় নানা অপরাধে জড়িত থাকলেও প্রভাব খাটিয়ে অনেক সময় আইনের হাত থেকে বাঁচতে সক্ষম হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি,এই ঘটনায় জড়িত সকল আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক,যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন নৃশংস অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাহস না পায়।
