নোয়াখালী কোম্পানিগঞ্জ মানবাধিকার কর্মী বেলাল হোসেন এর বড় ভাই সন্ত্রাসী হামলার নিহতের অভিযোগ।

কোম্পানিগঞ্জ থেকে আল আমিন মিয়াজী:
নোয়াখালী: নোয়াখালী কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার অন্য তম শীর্ষ সন্ত্রাসী কেচ্ছা রাসেল বাহিনীর হামলার আহত মানবাধিকার কর্মী বেলাল হোসেন এর বড় ভাই জামাল উদ্দিন নিহত।

২৬ আগষ্ট ২০২৪ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১০ টার সময় কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ৩ নাম্বার ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন মানবাধিকার কর্মী বেলাল হোসেন এর বাড়িতে কেচ্ছা রাসেলের সন্ত্রাসী বাহিনী দেশী বিদেশী অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী বাহিনী বেলাল হোসেনকে খোঁজ করতে করতে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে এলাকাবাসীর স্বোর চিৎকার শুনে বেলাল হোসেন এর বড় ভাই জামাল উদ্দিন ঘর থেকে বাহির হলে।

সন্ত্রাসীরা তাকে বেলাল হোসেন ও তার পরিবারের সন্ধান দিতে হুমকি ধামকি দিতে থাকে জামাল উদ্দিন তাহার ছোট ভাইয়ের সন্ধান দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে সন্ত্রাসী কেচ্ছা রাসেল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী লাঠি শোটা ও হকইস্ট্রিক দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে আঘাতের কারণে জামাল উদ্দিনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে মাথার পিছনে স্কাল্প পেটে গুরুতর আহত হয়।এই সময় তাহার বড় বোন হামিদা খাতুন তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা তাকেও আঘাত করে।পথচারী ও আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকেও পেলে রেখে ভীর দাপটে চলে যায়।

অতপর পরিবারের লোকজন ও পথচারী তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করিলে ভাগ্যক্রমে তার বোন হামিদা খাতুন প্রানে বেঁচে গেলেও তার ভাই জামাল উদ্দিন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
কেচ্ছা রাসেল এর বিরুদ্ধে হত্যা অস্ত্র ও চাঁদাবাজি পুলিশের কাজে বাঁধা সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা সহ নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ১৫/২০ জনের বাহিনী নিয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্র স্বস্র নিয়ে এলাকায় দাপটের সাথে দাবিয়ে বেড়ায় কেচ্ছা রাসেল।

চাঁদাবাজি জমি দখল থেকে শুরু করে সর্বত্র এলাকায় পুরো অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করেন এই কেচ্ছা রাসেল। এই সন্ত্রাসী এতোটাই পল্টিবাজ যখন যে সরকার আসে তখন সে সরকারের সাথে লেয়াজু করে চলে।

শেয়ার এবং ফলো করুন: