লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর ঘর নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের পূর্ব জাফর পুর জাগিদার বাড়ির মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে সৌদিআরব প্রবাসী মোঃ নুর হোসেন মা মিনোয়ারা বেগম থেকে ক্রয়সূত্রে মালিকানা জায়গায় বসতঘর নির্মাণ করতে গেলে শুরু থেকেই বাধা-বিপত্তি দিয়ে আসছেন মোঃ আনোয়ার হোসেন ফিরোজ ও তার স্ত্রী সেলিনা বেগম ও জৈনক সাহাব উদ্দিন।
এনিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে একাধিকবার এলাকার জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্টজন ও মোঃ আনোয়ার হোসেন ফিরোজের স্ত্রী সেলিনা বেগম তার সন্তানের উপস্থিতিতে জমিন বন্টন ও চন্দ্রগঞ্জ থানায় শালিসি মিমাংসা হওয়া সত্ত্বেও ফিরোজের স্ত্রী আদালতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে মামলা দায়ের করলে আদালত জমির দাতা মা মিনোয়ারা বেগমের বক্তব্য ও স্থানীয় প্রশাসন,ইউনিয়ন পরিষদের তহশিলদারের দখলিয় মালিকানা প্রতিবেদন ও কাগজপত্র পর্যালচনা করে মহামান্য আদালত মোঃ আনোয়ার হোসেন ফিরোজের স্ত্রীর সেলিনা বেগমের দায়েরকৃত মামলা স্থিতাবস্থার আদেশ প্রত্যাহার করে দিয়ে মোঃ নুর হোসেনকে বসত ঘর নির্মাণের অনুমতি প্রদান করেন।
প্রবাসী মোঃ নুর হোসেন বলেন আমি আমার বসত ঘর নির্মাণের কাজ শুরু থেকেই আমাকে অহেতুক হয়রানি করছে জৈনক সাহাব উদ্দিন সন্ত্রাসী কায়দায় চাঁদা দাবি করে আমার নির্মানাধীন জিনিসপত্র (ইট,বালু,রড,সিমেন্ট) রাস্তার পাশে পড়ে থাকায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং আমি সৌদিআরব থেকে ছুটিতে দেশে আসছি আমার ছুটি শেষ হয়ে যাচ্ছে এই ছুটির ভিতরে আমি ঘরের কাজ সম্পন্ন না করতে পারলে আমার স্ত্রী সন্তান নিয়ে বিপাকে পড়ে যাবো কোথায় থাকবো।
এরমধ্যে ফিরোজের স্ত্রী সেলিনা বেগম বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করলে মহামান্য আদালত মা মিনোয়ারা বেগমের বক্তব্য ও স্থানীয় প্রশাসন,ইউনিয়ন পরিষদের তহশিলদারের দখলিয় মালিকানা প্রতিবেদন ও সকল কাগজপত্র পর্যালচনা করে উভয়ের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে মহামান্য আদালত সেলিনা বেগমের দায়েরকৃত মামলা স্থিতাবস্থার আদেশ প্রত্যাহার করে দিয়ে আমাকে আমার বসত ঘর নির্মাণের
অনুমতি প্রদান করেন এরপর হাজির পাড়া ইউনিয়নের জৈনক সাহাব উদ্দিন বিভিন্ন ভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় আমার নির্মাণাধীন ঘর ভাঙচুর করার হুমকি-ধমকি ও বাধা-নিষেধ করে আসছে।
এছাড়াও এর আগে জৈনক সাহাব উদ্দিন সন্ত্রাসী কায়দায় আমার বাড়িতে এসে আমার বৃদ্ধ মা মিনোয়ারা বেগমকে হুমকি ধামকি দিতে থাকে। এঘটনায় উভয়পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এতে যেকোনো সময় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। প্রবাসীর মা মিনোয়ারা বেগম বলেন, জৈনক সাহাব উদ্দিন শুরু থেকেই আমার প্রবাসী ছেলে মোঃ নুর হোসেনের বসতঘর নির্মাণে বাধা দিয়ে চাঁদা দাবি করে আসছে। আমরা এর প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় সামাজিক ও জনপ্রতিনিধি গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে সালিশী বৈঠকের দ্বারস্থ হয়েছি।
কিন্তু তারা কোনো কিছুই তোয়াক্কা করছেন না। মেস্তুরি কাজ করতে আসলে জৈনক সাহাব উদ্দিন আমাদের বাড়ির সীমানায় এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং কাজে বাধা দেয় আমার ছেলে মোঃ নুর হোসেনের ঘর নির্মাণের সকল জিনিসপত্র বৃষ্টির পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমি আমার প্রবাসী ছেলে সহ পুরো পরিবার তঁদের ভয়ে নিরাপত্তাহীনতায় দিন পার করছি।
প্রসাশনের নিকট সাহাব উদ্দিনের এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও হুমকি ধামকি চাঁদাবাজির বিচার চাই ।
