মাদ্রাসার নাম ব্যবহার করে কাগজপত্র ছাড়াই সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টা

জামিল হোসেন চন্দ্রগঞ্জ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ ৷ বৃহস্পতিবার
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন ১২নং চরশাহী ইউনিয়নের নুরুল্যাপুর এলাকায় অবস্থিত নুরুল্যাপুর হাজী কালা মিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার নাম ব্যবহার করে কাগজপত্র ছাড়াই সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে একটি স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) একটি চক্র মাদ্রাসার সম্পত্তি দাবি করে কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই আল মামুন শিপনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালায়। পাশাপাশি প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে ভুয়া মানববন্ধনেরও আয়োজন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় আল মামুন শিপন তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িত প্রতারক চক্র এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
এক বিবৃতিতে আল মামুন শিপন বলেন,
‘মাদ্রাসার নামে যদি ওই দাগে কোনো সম্পত্তি থেকে থাকে, তাহলে কাগজপত্র নিয়ে আলোচনায় বসতে তাদের সমস্যা কোথায়? আমি বারবার তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি। তারা কেবল মুখে বলেই বেড়াচ্ছে এটি মাদ্রাসার জায়গা, অথচ তাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই।’
তিনি আরও বলেন,
‘আমার ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে আমাকে ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে মানববন্ধন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
আল মামুন শিপন দাবি করেন,হাজী কালা মিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা তার দাদা হাজী কালা মিয়া।
‘প্রতিষ্ঠাতার ওয়ারিশ হিসেবে আমি জানতে চেয়েছি- আমার দাদা মাদ্রাসায় কতটুকু সম্পত্তি দান করেছিলেন। কিন্তু তারা কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর না দিয়ে উল্টো আমাকে সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু আখ্যা দিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে,।

এদিকে স্থানীয় একাধিক সচেতন ব্যক্তি অভিযোগ করে জানান, অভিযুক্ত চক্রটি মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও মর্যাদাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এ ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বহু বছরের পুরনো এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে এবং অভিভাবকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এবং এলাকাবাসী।

শেয়ার এবং ফলো করুন: