কবির আহমদ ফারুক, চন্দ্রগঞ্জ।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রাজনীতির অঙ্গন উত্তাল হয়ে উঠেছে চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলকে ঘিরে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর হাজিরপাড়া হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে এ রাজনৈতিক মহাসমাবেশ।
এই কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুই প্রার্থী- ছাতা প্রতীকে মাঠের লড়াকু নেতা আনোয়ার হোসেন বাচ্চু এবং চেয়ার প্রতীকে বিগত দিনের আহ্বায়ক এম বেল্লাল হোসেন (ভিপি)। প্রশ্ন এখন- ছাতা নাকি চেয়ার,কার হাতে যাবে থানা বিএনপির নেতৃত্ব?
নেতৃত্বের যোগ্যতার লড়াই:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল প্রতীকের লড়াই নয়। ভোটারদের চোখে আসল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে নেতৃত্বের যোগ্যতা, ত্যাগ ও তৃণমূল পর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা। আগামী দিনে সংগঠনকে কে আরও শক্তিশালী করবেন- এই নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে সেই দিকনির্দেশনা।
বাচ্চু: রাজপথের ত্যাগী নেতা
আনোয়ার হোসেন বাচ্চু ছাত্রদল থেকে রাজনীতি শুরু করেন। দুঃসময়, গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা কিংবা নির্যাতন- কিছুই তাকে রাজনীতি থেকে সরাতে পারেনি। তৃণমূল কর্মীদের কাছে তিনি আস্থার প্রতীক। কর্মীদের ভাষায়, “বাচ্চু ভাই দুঃসময়ে পাশে থাকেন, রাজপথে পাওয়া যায়।”
তার প্রতিশ্রুতি, সভাপতি নির্বাচিত হলে তিনি সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল বিএনপি গড়ে তুলবেন।
বেল্লাল: অভিজ্ঞতার ভরসা
চেয়ার প্রতীকের প্রার্থী এম বেলাল হোসেন বিগত ৩ বছর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিজ্ঞতা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তার বড় শক্তি বলে দাবি করছেন সমর্থকরা। তবে সমালোচকদের অভিযোগ- নেতৃত্বে থেকেও তিনি সংগঠনে আশানুরূপ নতুনত্ব আনতে পারেননি।
এক প্রতিক্রিয়ায় বেলাল হোসেন বলেন আমি চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপি’র সভাপতি নির্বাচিত হলে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল বিএনপি গড়ে তুলে নগ্ন গ্রুপিং মুক্ত রাজনীতি বন্ধ সহ তৃনমূলের সকলের সহযোগিতা নিয়ে থানা বিএনপি’র আওতাধীন সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
শেষ মুহূর্তে প্রচারণা জোরদার করলেও ভোটারদের সমর্থন টানতে পারবেন কি না,সেটিই এখন প্রশ্ন।
ভোটারদের নীরব হিসাব
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মোট ভোটার ৫৬৮ জন, যারা মূলত তৃণমূল পর্যায়ের কর্মী। দুই প্রার্থীই দিন-রাত সমর্থন চাইতে ঘরে ঘরে যাচ্ছেন। প্রকাশ্যে ভোটাররা মুখ না খুললেও নীরবে হিসাব-নিকাশ করছেন। কেউ বলছেন বাচ্চুর ত্যাগের কথা, আবার কেউ ভরসা রাখছেন বেল্লালের অভিজ্ঞতার ওপর।
নির্বাচনী আমেজ
কাউন্সিলকে ঘিরে চন্দ্রগঞ্জ থানার সর্বত্র এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। কর্মীদের দৌড়ঝাঁপ, সমর্থকদের শ্লোগান, মিছিল-মিটিং আর ভোটারদের কৌতূহলে সরব হয়ে উঠেছে এলাকা।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের এই ভোটে নির্ধারিত হবে শুধু সভাপতি নয়, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আগামী দিনের নেতৃত্বও। আর সেই নেতৃত্ব জেলার রাজনীতিতে যেমন নতুন সমীকরণ তৈরি করবে, তেমনি প্রভাব ফেলতে পারে কেন্দ্রীয় বিএনপির রাজনীতির ওপরও।
কবির আহমদ ফারুক, চন্দ্রগঞ্জ।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রাজনীতির অঙ্গন উত্তাল হয়ে উঠেছে চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলকে ঘিরে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর হাজিরপাড়া হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে এ রাজনৈতিক মহাসমাবেশ।
এই কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুই প্রার্থী- ছাতা প্রতীকে মাঠের লড়াকু নেতা আনোয়ার হোসেন বাচ্চু এবং চেয়ার প্রতীকে বিগত দিনের আহ্বায়ক এম বেল্লাল হোসেন (ভিপি)। প্রশ্ন এখন- ছাতা নাকি চেয়ার,কার হাতে যাবে থানা বিএনপির নেতৃত্ব?
নেতৃত্বের যোগ্যতার লড়াই:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল প্রতীকের লড়াই নয়। ভোটারদের চোখে আসল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে নেতৃত্বের যোগ্যতা, ত্যাগ ও তৃণমূল পর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা। আগামী দিনে সংগঠনকে কে আরও শক্তিশালী করবেন- এই নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে সেই দিকনির্দেশনা।
বাচ্চু: রাজপথের ত্যাগী নেতা
আনোয়ার হোসেন বাচ্চু ছাত্রদল থেকে রাজনীতি শুরু করেন। দুঃসময়, গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা কিংবা নির্যাতন- কিছুই তাকে রাজনীতি থেকে সরাতে পারেনি। তৃণমূল কর্মীদের কাছে তিনি আস্থার প্রতীক। কর্মীদের ভাষায়, “বাচ্চু ভাই দুঃসময়ে পাশে থাকেন, রাজপথে পাওয়া যায়।”
তার প্রতিশ্রুতি, সভাপতি নির্বাচিত হলে তিনি সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল বিএনপি গড়ে তুলবেন।
বেল্লাল: অভিজ্ঞতার ভরসা
চেয়ার প্রতীকের প্রার্থী এম বেলাল হোসেন বিগত ৩ বছর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিজ্ঞতা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তার বড় শক্তি বলে দাবি করছেন সমর্থকরা। তবে সমালোচকদের অভিযোগ- নেতৃত্বে থেকেও তিনি সংগঠনে আশানুরূপ নতুনত্ব আনতে পারেননি।
এক প্রতিক্রিয়ায় বেলাল হোসেন বলেন আমি চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপি’র সভাপতি নির্বাচিত হলে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল বিএনপি গড়ে তুলে গ্রুপিং মুক্ত রাজনীতি বন্ধ সহ তৃনমূলের সকলের সহযোগিতা নিয়ে থানা বিএনপি’র আওতাধীন সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
শেষ মুহূর্তে প্রচারণা জোরদার করলেও ভোটারদের সমর্থন টানতে পারবেন কি না,সেটিই এখন প্রশ্ন।
ভোটারদের নীরব হিসাব
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মোট ভোটার ৫৬৮ জন, যারা মূলত তৃণমূল পর্যায়ের কর্মী। দুই প্রার্থীই দিন-রাত সমর্থন চাইতে ঘরে ঘরে যাচ্ছেন। প্রকাশ্যে ভোটাররা মুখ না খুললেও নীরবে হিসাব-নিকাশ করছেন। কেউ বলছেন বাচ্চুর ত্যাগের কথা, আবার কেউ ভরসা রাখছেন বেল্লালের অভিজ্ঞতার ওপর।
নির্বাচনী আমেজ
কাউন্সিলকে ঘিরে চন্দ্রগঞ্জ থানার সর্বত্র এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। কর্মীদের দৌড়ঝাঁপ, সমর্থকদের শ্লোগান, মিছিল-মিটিং আর ভোটারদের কৌতূহলে সরব হয়ে উঠেছে এলাকা।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের এই ভোটে নির্ধারিত হবে শুধু সভাপতি নয়, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আগামী দিনের নেতৃত্বও। আর সেই নেতৃত্ব জেলার রাজনীতিতে যেমন নতুন সমীকরণ তৈরি করবে, তেমনি প্রভাব ফেলতে পারে কেন্দ্রীয় বিএনপির রাজনীতির ওপরও।
