লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার আসন্ন প্রথম দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল নির্বাচনে চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপি’র সভাপতি হিসেবে পেতে কাউন্সিলর ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে রাজপথে, মাঠে-ঘাটে, আন্দোলন ও সংগ্রামে দলীয় আদর্শে অবিচল থেকেছেন।চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপি’র আহ্বায়ক এবং বর্তমান চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপি’র প্রথম দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল নির্বাচনে সভাপতি পদ প্রার্থী চেয়ার মার্কা প্রতিক নিয়ে কাউন্সিলর ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে আজ আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
ভিপি বেলাল হোসেন চেয়ারম্যান একজন সুশিক্ষিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত জননেতা হিসেবে তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত পরিচিত মুখ। একজন সুশিক্ষিত, ত্যাগী এবং সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ জননেতা হিসেবে সর্বমহলে সম্মানিত ও গ্রহণযোগ্য এই নাম।
ছাত্রজীবন থেকেই মেধা,আদর্শ ও নেতৃত্বের জন্য তিনি বেশ পরিচিত ছিলেন। তিনি শিক্ষাজীবনের সফলতার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে থাকেন।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ডিগ্রী কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি হওয়ার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়,এরপর একে একে ছাত্রদল,যুবদল, এবং চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে রাজনীতির প্রতিটি স্তরে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।
শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কারী এই নেতা, পতিত স্বৈরাচারী সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে বারবার গায়েবি মামলা, গ্রেপ্তার, কারাবরণ—কোনো কিছুই তাকে দমাতে পারেনি।বরং দলের প্রতি অকুণ্ঠ আনুগত্য রেখে তিনি প্রতিটি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, ভিপি বেলাল হোসেন অসংখ্য নেতাকর্মীর আইনি সহায়তা, আর্থিক সহযোগিতা এবং নিয়মিত খোঁজখবর রেখেছিলেন দলের দুঃসময়ে।কারাবন্দী নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
অসুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা, আর্থিক অনুদান ও মানবিক সহযোগিতা দিয়ে তৃণমূলের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনে নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেও ভিপি বেলাল হোসেন চেয়ারম্যান বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারে নগদ আর্থিক সহায়তা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করেছেন তিনি।
এছাড়াও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে স্থানীয় যুবকদের মাঝে খেলাধুলার সরঞ্জাম বিতরণ ও বিভিন্ন খেলাধুলা আয়োজন করে,তিনি যুবসমাজকে সচেতনতায় উদ্বুদ্ধ করেছেন। এমন শিক্ষিত নেতৃত্ব প্রদানকারী নেতাকে, আজকের এই সময়ের জন্যই প্রয়োজন।
চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপি’র আওতাধীন সকল ইউনিয়নের কাউন্সিলর ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করেন,বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে এবং দলকে সুসংগঠিত করে আগামী দিনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে হলে সুশিক্ষিত, ত্যাগী, জনসম্পৃক্ত ও পরীক্ষিত নেতারই প্রয়োজন।
তারা বলেন, আমরা দেখেছি জননেতা ভিপি বেলাল হোসেন চেয়ারম্যান কখনও পেছনে দাঁড়াননি। মোঃ লুৎফর রহমানের মত শিক্ষিত ও ক্লিন ইমেজধারী ত্যাগী নেতা, যিনি রাজনীতি করেছেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম ও আদর্শের ভিত্তিতে, লোভ-লালসা থেকে দূরে থেকে দলের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন তিনি।
শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি নন, তিনি একপ্রকার সংগঠক। তার আদর্শিক রাজনীতি, মানবিক চেতনা ও শক্তিশালী সাংগঠনিক দক্ষতা দলকে এনে দিতে পারে নতুন গতি ও শক্তি।
ভিপি বেলাল হোসেন বলেন আসন্ন চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপি’র প্রথম দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল নির্বাচনে চেয়ার মার্কা প্রতিক নিয়ে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি ইনশাআল্লাহ্ কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করবেন বলে আশাবাদী।
তৃণমূল কর্মীরাই আমার শক্তি, তাদের ভালোবাসাই আমার প্রেরণা।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার কাউন্সিলর বৃন্দ কর্মীরা নির্বাচিত করলে, আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও আদর্শ দিয়ে সেই দায়িত্ব পালন করাই হবে আমার অঙ্গীকার।
